ঢাবি অধিভুক্ত সরকারি তিতুমীর কলেজের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্স শেষ পর্বে ভর্তির বিজ্ঞপ্তিতে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের আবেদনপত্রের সাথে অনার্সের নম্বরপত্র/সার্টিফিকেট, প্রশংসাপত্র, ও চারিত্রিক সনদের ফটোকপি সংযুক্ত করতে বলা হয়েছে।
কিন্তু যাবতীয় এই কাগজ উত্তোলন করতে শিক্ষার্থীদের গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ বিভাগ থেকে ১০০ টাকা দিয়ে নম্বরপত্র/সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে হচ্ছে। প্রশংসাপত্র ও চারিত্রিক সনদ নেওয়ার জন্য শেখ কামাল প্রশাসনিক ভবন থেকে ফরম পূরণ করে আরও ১০০ টাকা দিতে হচ্ছে।
উল্লেখ্য, কলেজের সিটিজেন চার্টারে স্পষ্ট উল্লেখ আছে যে, প্রশংসাপত্র ও চারিত্রিক সনদ নেওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের কোন প্রকার বিল দিতে হবে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থীর ভাষ্যমতে, টাকা না দিলে চারিত্রিক সনদ পাওয়া যায় না এবং অফিসের কর্মকর্তাদের কথামতো না চললে তারা ঠিকমতো কাজ করেন না। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেও কোন কাজ হয় না।
আরও এক শিক্ষার্থী বলেন, অফিসের লোকেরা নিজেদের এখতিয়ার থেকে টাকা নিচ্ছে এবং কলেজের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা এ বিষয়টি দেখছেন না। আর উনারা এটার জন্য টাকা নিচ্ছেন ঠিকই কিন্তু সিটিজেন চার্টারে উল্লেখ করেছেন কোন টাকা নিচ্ছেন না। ফলে টাকা না দিতে চাইলে তারা আমাদের সনদ দিচ্ছে না। আমরা এখানে নিরুপায়, কারণ ৩০ তারিখের ভিতরে আমাদের তো ভর্তি হতে হবে।
অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার জন্য কাউন্টারে জানতে চাইলে বলেন, আমাদের উপর থেকে নির্দেশ আছে। শুধু আমরা নেয় না, সাত কলেজের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এই টাকা নিয়ে থাকেন।
এ বিষয়ে কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক মোঃ মহিউদ্দিন জানান, এগুলোর জন্য টাকা নেওয়ার নিয়ম আছে কারণ প্রিন্ট ও কালি ব্যবহারের সাথে আরও আনুষঙ্গিক খরচ থাকে। সিটিজেন চার্টারের ব্যাপারে তিনি বলেন, ঐখানে হয়তো ভুল হয়েছে।