সামরিক আইন জারির সিদ্ধান্তের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইয়োল। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের সিদ্ধান্ত না নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।
গত মঙ্গলবার রাতে প্রেসিডেন্ট সামরিক আইন জারির ঘোষণা দেন। তবে সংসদ সদস্যদের তীব্র বিরোধিতা ও জনরোষের মুখে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আইনটি বাতিল করতে বাধ্য হন।
শনিবার (৭ ডিসেম্বর) এক সংক্ষিপ্ত টিভি ভাষণে প্রেসিডেন্ট ইউন বলেন, “আমি অত্যন্ত দুঃখিত। সামরিক আইন জারির কারণে যারা কষ্ট পেয়েছেন, তাদের কাছে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি।”
এই ঘটনার পর প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। ক্ষমতাসীন দল পিপল পাওয়ার পার্টির প্রধান হান ডং-হুন মন্তব্য করেন, “এখন ইউনের পক্ষে তার দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়া আর সম্ভব নয়। তার পদত্যাগ প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।”
অনেকের ধারণা ছিল, জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রেসিডেন্ট তার পদত্যাগের ঘোষণা দেবেন। তবে তিনি তা না করে শাসক দলের হাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব অর্পণ করবেন বলে জানান। অভিশংসনের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি তিনি।
শনিবার (৭ ডিসেম্বর) সংসদে বিরোধীদলের তার অভিশংসনের প্রস্তাব আনার কথা রয়েছে। এটি পাস করতে ৩০০ আসনের সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ ভোট প্রয়োজন হবে। যদিও সংসদে বিরোধীদল সংখ্যাগরিষ্ঠ, তবে প্রস্তাব পাস করতে ইউনের দলের অন্তত আটজন সংসদ সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন।
আরএস//বিএন